Popular Post

Archive for মে 2013

অ্যান্ড্রয়েড এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিক্রেট কোড !!!

By : Unknown

 

অ্যান্ড্রয়েড এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিকিউরিটি কোড

অ্যান্ড্রয়েড ফোন এর জন্য রয়েছে অনেক সিক্রেট কোড যা আমরা অনেকেই জানিনা। এই কোড গুলো ব্যবহার করে আপনি আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোন এর বিভিন্ন সেটিংস্‌ পরিবর্তন অ ফোনে বিভিন্ন টেস্ট পরিচালনা করতে পারবেন। তো চলুন দেখে নিই কিছু সিক্রেট কোড।
codes
*#06# –  IMEI নাম্বার প্রদর্শন করবে।
*2767*3855# – ফ্যাক্টরি রিসেট কোড( ফনের সব ডাটা ডিলিট হয়ে যাবে )
*#*#4636#*#* - ফোন এবং ব্যাটারি সংক্রান্ত তথ্য।
*#*#273282*255*663282*#*#* - সকল মিডিয়া ফাইল ব্যাক আপ করার কোড।

IDM এর যেকোন ভার্সনকে নিজেই হ্যাক করে, ফুল ভার্সন বানিয়ে ব্যবহার করুন আজীবন!!! (IDM এর রেজি: ঝামেলার দিন শেষ)

By : Unknown

একটি অন্যতম জরুরী সফটওয়্যার IDM (Internet Download Manager) সম্পর্কি. এটি ব্যবহার করলে সুবিধার কোন শেষ নাই। আর অসুবিধা তো একটা থাকলেই চলে তা হল Serial key না থাকা। তবে অনেকে Crack, Patch প্রভূতি দিয়ে রেজি: এর কাজ চালান। আবার এখন দেখলাম Crack, Patch, সিরিয়াল প্রভূতি ছাড়াও এর ফুল ভার্সন পাওয়া যাচ্ছে। তবে আমার কথা হল কিভাবে এই IDM কে Crack, Patch, সিরিয়াল প্রভূতি ছাড়াই তৈরী করা হচ্ছে, আর ব্যবহার করা যাচ্ছে আজীবন। আমি সফটওয়্যার সম্পর্কে তেমন জানি না। কিন্তু খুজতে থাকলাম রহস্য। অবশেষ পেয়ে গেলাম। কিভাবে এটিকে HACK করে ফুল ভার্সন তৈরী করা যায়। তাই আগেই বলছি ভাই যারা IDM কে হ্যাক করতে পারেন তারা আমরার বকবকানি না শুনলেও চলবে অর্থাত আপনার জন্য ভাই এই পোষ্টটি না পড়লেও চলবে। আর যারা IDM কে HACK করার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছেন সেই সকল ভাইয়েদের জন্য মূল কথা লেখা শুরু করলাম।
== ভাই প্রথমেই বলছি এই কাজটি কিন্তু খুবই সহজ। বলতে গেলে পানির মতই সহজ। তবে শর্ত হল আপনাকে মনযোগ দিয়ে লেখাটি পড়তে হবে এবং ধৈর্য্য সহকারে ধাপে ধাপে কাজগুলো করতে হবে।
প্রয়োজনীয় জিনিসাদি:
১। IDM এর যেকোন যেকোন একটি ভার্সন পিসিতে সেটআপ করা থাকেত হবে। যদি না থাকে তাহলে এখানে গিয়ে ডাউনলোড করে সেটআপ করে নিন।
২। Notepad++ পিসিতে সেটআপ করা থাকতে হবে। যদি না থাকে তাহলে এখানে গিয়ে একটি ভার্সন ডাউনলোড করে সেটআপ করে নিন।
কাজের ধাপ:

USB Disk security 6.0.0.126 (Full) সবার পিসিকে অটোরান ভাইরাস থেকে মুক্ত রাখার ১০০০% গ্যারান্টি

By : Unknown

আমি যে পোষ্টটি করতে যাচ্ছি তা হল USB Disk security সম্পর্কিত। পিসিকে অটোরান ভাইরাস থেকে মুক্ত রাখার জন্য এটি একটি সর্বজন স্বীকৃত আদর্শ সফটওয়্যার। এটির আবার কোন আপডেটরও প্রয়োজন হয় না। তাই যাদের কম্পিউটারে ইন্টারনেট কানেকশন নেই তাদের জন্য এটি অনেক সুবিধার। আমি এর আরেকটি old version কিছু দিন আগে শেয়ার করেছিলাম। আজ আরও একটু ল্যাটেস্ট ভার্ষন শেয়ার করলাম।
undefined
এটি ব্যবহারে যে সকল
সুবিধা পাবেন:
Key features:
1. USB Disk Security provides 100% protection against any threats via USB drive, however, the majority of other products are unable even to guarantee 90% protection.
2. USB Disk Security is the best antivirus software to permanently protect offline computer without the need for signature updates, but other antivirus software should update signature database regularly, and they cannot effectively protect offline computer.
3. This light and easy to use solution is 100% compatible with all software and doesn’t slow down your computer at all.
4. You pay USB Disk Security once and get it all, however, other antivirus products should be paid for updates every year.
উপরের সুবিধাগুলো কিন্তু  Old version এর। নতুন ভার্সণে উপরের সুবিধাগুলো সহ আরও অনেক রকমের সুবিধা আছে যা আপনি সেটআপ করলেই দেখতে পারবেন। আমি মনে করি এই সফটটি প্রত্যেকের পিসি কে ভাইরাস থেকে দারুন ভাবে প্রটেকশন দিতে সক্ষম।
তাই যদি মনে করেন যে, আপনার পিসিতে এই রকমের একটি এন্টিভাইরাস প্রয়োজন আছে তাহলে ডাউনলোড করার জন্য নিচের লিংকে ক্লিক করতে পারেন।
[[[[[ বি:দ্র: আপলোডের সুবিধার্থে এটা .rar আকারে আছে। তাই এটিকে Extract করার জন্য WinRAR, 7zip প্রভূতি প্রয়োজন।
যদি আপনার কাছে WinRAR বা 7zip না থাকে তাহলে আপনাদের সুবিধার্থে ডাউনলোড করার জন্য নিচের লিংক গুলো ফলো করুন এবং
WinRar বা 7zip আপনার পিসিতে সেটআপ করে নিন ( খুবই কাজের সফটওয়্যার)।
“CLICK HERE FOR DOWNLOAD: THE WinRAR”(মাত্র ১.৩৩ এম বি)
“CLICK HERE FOR DOWNLOAD: 7zip” (মাত্র ৯০০ কেবি)]]]]]
WinRAR বা 7zip ডাউনলোড হয়েগেলে তা সেটআপ নিয়ে প্রথমে ডাউনলোড করা USBGuard_Setup.rar নামক ফাইল টির উপর রাইট বাটন ক্লিক করে Extract করে নিন। এখন আর দশটি সফটয়ের মতই এটিকে সেটআপ করে নিন।
সেটআপ হয়ে গেলে এখন আপনার প্রয়োজন হবে Crack ফাইলের। এটি ছাড়া কিন্তু ফুল ভার্সন পাবেন না। তাই এখন Crack টি ডাউনলোড করার জন্য নিচের লিংক ফলো করুন।
*এখন ডেক্সটপের নিচে Usb disk security এর আইকনটিতে রাইট বাটন ক্লিক করে Exit এক ক্লিক করুন।
*এখন Crack টিকে WinRar বা 7Zip দিয়ে Extract করুন।
* এখন Run এ গিয়ে হুবহু লিখুন
“C:\Program Files\USB Disk Security”
*দেখবেন নতুন একটি উইন্ডো ওপেন হয়েছে। ভূলেও এখান থেকে কোন ফাইলে টাচ করবেন না।
* এবার Extract করা Crack টির একটি কপি এখানে Paste করুন। যদি কোন কিছু দেখায় তাহলে YES , Overwirte প্রভূতিতে ক্লিক করু।
এখন ডেক্সটপ থেকে USB Disk Security নামক শর্টকাটটিতে ডাবল ক্লিক করে ওপেন করুন দেখবেন যে এখন এটি ফুল ভার্সন হয়ে গিয়েছে!

কম্পিউটার, পেনড্রাইভ বা মেমোরীকার্ড থেকে প্রয়োজনীয় ফাইল ডিলিট হয়ে গিয়েছে? কোন সমস্যা নাই!

By : Unknown

আমাদের প্রয়োজনীয় ফাইল যদি ডিলিট হয়ে যায় তাহলে কিন্তু অনেক যন্ত্রনা পোহাতে হয়। ৬/৭ বছর  আগের কথা- মহাখালী ওয়্যারলেস গেইটে আমি এক প্রিন্টার্সে গ্রাফিক্স ডিজাইনারের চাকুরি করতাম। তখনও কম্পিউটার সম্পর্কে এত্তোকিছু জানতাম না। নতুন ডিজাইনের কাজ শিখেছিলাম। তাই হাত ছিল অনেক স্লো। তাই ছোট ছোট কাজ গুলো করতেও আমরা অনেক সময় লেগে যেত। অনেক দিন পরিশ্রমকরে একটি কাজকে শেষ করেছিলাম। হঠাত করে xp সেটআপ করার সময় ড্রাইভ একটি কে ফরম্যাট করে ফেলি! আর হারিয়ে যায ঐ প্রিন্টার্সের প্রায় ৫ বছরের জমে থাকা ডেটা। আমিতো পুরো ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে ফেললাম। এখন কি করি। কিন্তু তখন আমি বেশী এক্সপার্ট ছিলাম না, যার ফলে আমার কোন কিছুই করার ছিল না। বুঝেনইতো কি পরিমাণ বকাধকা আমাকে পোহাতে হয়েছিল। তখনের কথা বলতে গেলে এখনও শরীরে শিহরণ জাগে। এই ডিলেট হওয়া ফাইল গুলোকে নিয়ে দু:চিন্তা করতে করতে আমার মাথার চুল পর্যন্ত পেকে গিয়েছিল! আসলে ঐ সময়ে আমার অবস্থা যে কি ছিল তা আমি লিখে বা বলে বুঝাতে পারবো না। এটা শুধু তারাই বুঝবেন যারা এরকম সমস্যার শিকার হয়েছেন। যাক সে কথা, এখন দিন বদলের সাথে সাথে আমারও অনেক অভিজ্ঞতা হয়েছে (আলহামদুলিল্লাহ)।
# ডিলেট হওয়া ফাইলকে ফিরিয়ে আনার জন্য অনেক সফটওয়্যারই আছে! তবে আমি মনে করি এগুলোর মধ্যে Recuva ই শ্রেষ্ঠ! যা সবার সাথে শেয়ার করব। ডিলেট হওয়া ফইলকে এটি খুব সুন্দরভাবে পূর্ণাঙ্গরূপে ফিরিয়ে আনতে পারে এটি সর্বজন স্বীকৃত। একম কি আমি নিজেও এখন পর্যন্ত বহুবারই ডিলেট করা ফাইলকে ফিরিয়ে এনেছি! তবে বলতে হবে ফরম্যাট দেওয়া ড্রাইভ বা মেমোরি থেকে সকল ডাটা ফিরিয়ে আনাতে Recuva কেন আরও অনেক সফটওয়্যারই আমি ব্যবহার করেছি কোনটিই ভালো পারফরম্যান্স দেখেতে পারেনি। একমাত্র Recuva ই কিছু ফাইল ফিরিয়ে আনতে পেরেছিল। বিশেষ করে mp4, mp3, 3gp, AVI প্রভূতি ভিডিও ফাইল কে এটি খুব সুন্দর করে ফিরিয়ে আনতে পারে। সকলের সাথে শেয়ার করলাম। ডাউনলোড করার জন্য নিচের লিংকে ক্লিক করুন।

সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ ওয়েব সাইটে ঢুকুন সবচেয়ে সহজে Tor browser (Portableভার্সন) দিয়ে!

By : Unknown

ধরুন একটি ওয়েব সাইটে খুবই প্রয়োজনীয় জিনিষাদি থাকে। যার জন্য আপনাকে প্রতিদিনই একবার ঐ ওয়েব সাইট ব্রাউজ করতে হয়। একদিন হঠাৎ খুবই জরুরী প্রয়োজন পড়ল ঐ ওয়েব সাইটটিতে ঢুকার জন্য। কিন্তু URL বারে Address লিখে Enter প্রেস করার পর দেখলেন যে, সাইটি সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ হয়ে আছে। অর্থাৎ এমন দেখায় "This site is blocked by government authority" বা অনেক সময় সাদা পেজ আসে। তখন আপনার কেমন  লাগবে। আমার একবার এমন হয়েছিল তখন মনে চাইছিল কি যে করি!! তখনই লেগে পড়লাম কিভাবে ঐসকল ওয়েব সাইটে ঢুকব... বিভিন্ন ব্লগে অনেক রকমের টিপসও পেলাম। আবার ঢুকতেও পারলাম! কিন্তু আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে Tor Browser দিয়ে ব্রাউজ করতে পেরে।
[ধরুন কোন দিন টেকটিউন্সকে কোন দেশের সরকার ঐদিশের ভিজিটর জন্য নিষিদ্ধ করে দিল (আল্রাহ এমন না করুন, আমিন)  তখন কিভাবে এত্তো প্রয়োজনীয় একটি সাইট ব্রাউজ করব? এছাড়াও কখন আবার কোন ওয়েব সাইট নিষিদ্ধ হয়ে যায় কে যানে তাই আগেই প্রস্তুতি নিয়ে রাখি।]
Tor Browser সম্পর্কে নতুন করে কিছু বলার নেই। কারণ এখন সবাইই Tor Browser সম্পর্কে কমবেশী জানেন। যখনই আপনি Tor Browser ওপেন করবেন তখনই এটি আপনার পিসির IP কে হাইড করে দেয়। যার ফলে অবাধে যেকোন সাইটে বিচরণ করা যায়। এছাড়াও আপনি এই ব্রাউজারটি দিয়ে রহস্য, মায়াজালে ঘেরা ইন্টারনেটের অন্যরকম এক জগৎ ডার্ক ওয়েবেও ঢুকতে পারবেন! আমার কাছে এটির একটি পোর্টেবল ভার্সন আছে। আপনার কালেশনে না থাকলে, ডাউনলোড করে রাখতে পারেন।
আর পোর্টেবল ভার্সন সম্পর্কে সবাইই জানে, তবুও যারা জানেন না তাদের জন্য বলছি, পোর্টেবল ভার্সন সফটয়্যার গুলোকে সেটআপের ঝামেলা নেই। অর্থাৎ এগুলোকে সেট আপ করতে হয় না! শুধু শর্টকার্টে ডাবল ক্লিক করলে ই ওপেন হয়ে যায় । Tor Browser এর পোর্টেবল ভার্সনটি নামিয়ে রাখতে চাইলে নিচের লিংকে ক্লিক করুন।
https://www.dropbox.com/s/g7df7nsw1kiauc8/techtonesbd.com_tor-browser-2.3.25-2.zip
#আর সেটআপে দেওয়ার ভার্সনটি যদি ডাউনলোড করতে চান তাহলে নিচের লিংকে ক্লিক করুন।
https://www.torproject.org/dist/torbrowser/tor-browser-2.3.25-8_en-US.exe

নিয়ে নিন ফ্রী CCcleaner Pro (Computer refreshing software CCcleaner)

By : Unknown

বলে রাখি,Ccleaner ফ্রী আর Pro এর মধধে তেমন কোন পার্থক্য নেই।তবে ফ্রী পেতে ক্ষতি কি? :D
১।...এই লিঙ্কে যান :http://www.piriform.com/ccleaner
২।... সিক্লিনার ডাউনলোড করুন।
৩।... তারপর ইন্সটল করুন।
৪।...ইন্সটল শেষে ওপেন করুন।
৫।...Option>About এ ক্লিক করুন।
৬।... যে Register বক্স পাবেন তা নিম্নের তথ্য দিয়ে পূরণ করুনঃ
Name: Registered User
Key : CBB4-FJN4-EPC6-G5P6-QT4C
৭।এ...ফ্রী তে সিক্লিনার Professional উপভোগ করুন।

পিসির জন্য প্রয়োজনীয় ফুলভার্শন সফটওয়্যার। (Softwre for your pc full version)

By : Unknown


আজকে আমি আপনাদের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু সফটওয়্যার নিয়ে হাজির হলাম। আপনাদের সুবিধার্থে সবগুলো সফটওয়্যারই মিডিয়াফায়ারে আপলোড দিয়েছি।

ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজার । এর সম্পর্কে নতুন করে কিছু বলার নেই। আমাদের IDMছাড়া একদিনও চলে না। কাজেই তাড়াতাড়ি IDM এর letest ভার্শন ডাউনলোড করে নিন। :-D

IDM download:
Serial/patch download:click here

SUPER RAM একটি ফ্রিয়ওয়্যার সফটওয়্যার। আপনার পিসির র‌্যাম কে ক্লিন এবং অপটিমাইজ করতে এর বিকল্প নেই। আমাদের যাদের পিসিতে র‌্যাম কম তাদের জন্য এই সফটওয়্যারটা খুবই কাজে আসবে।

এর বৈশিষ্ট্য: -

  1. SuperRam কম্পিউটার মেমরি সেরা অনুকূল যা সহজ এ ব্যবহার করা যায়।

  2. যুক্তিসঙ্গত মান সিস্টেম স্থিতিশীলতা বজায় রাখে এবং ব্যাকগ্রাউন্ডের কাজ করে.

  3. কম্পিউটার মেমরি উপলব্ধ সিস্টেম প্রদর্শিত মধ্যে ভিসুয়াল উপস্থাপনা করে।

  4. সহজ এবং স্বজ্ঞাত ইউজার ইন্টারফেস, যা বাস্তব সময়ের মেমরি অপ্টিমাইজেশান সঞ্চালিত করে।

    ModemBooster 7.00। আমাদের দেশের নেটের অবস্থা যা তাতে চালিয়ে শান্তি পাওয়া যায় না। এই সফটওয়্যারটার মাধ্যমে আপনি আপনার মডেমের স্পিড ৩০০% পর্যন্ত বাড়াতে পারবেন। কাজেই তাড়াতাড়ি ডাউনলোড করে নিন! :mrgreen:


    Reconnect! যাদের নেট বার বার ডিসকানেক্ট হয়ে যায় তাদের জন্য এই সফটওয়্যারটি িখুবই প্রয়োজন। এটি আপনার ইন্টারনেট কানেকশন ডিসকানেক্ট হলে সঙ্গে সঙ্গে আবার কানেক্ট করে দেবে।যাদের প্রয়োজন এখান থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারেন।

    উইন্ডোজ এক্সপির ড্রাইভগুলোকে ভিসতার মতো করতে এখানে ক্লিক করে ছোট্ট সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন। এর সাহায্যে আপনি আপনার ড্রাইভের কতটুকু জায়গা রয়েছে তা জানতে পারবেন এবং আপনার ড্রাইভগুলোকে একটু দেখতে আকর্ষনীয় করবে।

IDM এর গুরুত্বপূর্ণ একটা টিপস্। আপনার কাজে আসবেই (Usefull tips for IDM)

By : Unknown

শুধুমাত্র IDM ব্যবহারকারীর জন্য৷অনেক সময় অনেক ফাইলই কিন্তু IDM দিয়ে ডাউনলোড করা যায় না।অন্যতম একটি উদাহারণ দিই,ধরুন আপনি যদি এন্ড্রোয়েডের কোন ফাইল IDM দিয়ে ডাউনলোড করতে যান তাহলে কিন্তু IDM দিয়ে কোন সময়ই তা  ডাউনলোড হবে না। কারন আই.ডি.এম এর File Types এর মধ্যে এটি ডিগলিয়ার করা নাই।বাট আপনি যদি এই টিপস্‌টি ব্যবহার করলে,এন্ড্রোয়েডের ফাইল ছাড়াও অন্য সব এক্সটেনশনের ফাইলই ও ডাউনলোড করতে পারবেন যেসব আগে idm দিয়ে ডাউনলোড করতে পারেননি।
ধাপ ১:
IDM রান করার পর Downloads থেকে চলে যান Options এ। ঠিক নিচের দেখানো ছবির মত৷
ধাপ ২:
এবার যে মেনুবারটি আসল ওখানে থেকে File types ট্যবটি সিলেক্ট করুন।এবার যেখান লেখা আছে Automatically start  downloading the following file types এর নিচে যে বক্স আছে তার নিচে মাউসের কারর্সাস দিয়ে একটা ক্লিক করুন।এরপর একটা স্পেস দিয়ে আপনার ফাইলের এক্সটেনশনের নামটা লিখে দেন। যেমন ধরুন আমি লিখেছি APK আপনারা আপনাদের ইছামত ফাইলের এক্সটেনশন লিখে দিবেন।
তাহলে যে এক্সটেনশনের নামটা লেখে দিয়েছেন সেটিই ডাউনলোড হবে।

উইন্ডোজ এক্সপি ইন্সটল করুন পেন ড্রাইভ থেকে (Windows xp install using pendrive)

By : Unknown

এখন আর উইন্ডোজ এক্সপি ইন্সটল করতে সিডি রম লাগবে না, আপনার পেন ড্রাইভটি ব্যবহার করে কোন ঝামেলা ছাড়াই দ্রুত কাজ চালিয়ে নিতে পারবেন।
এই কাজটি করার জন্য আপনার সর্বপ্রথম যা লাগবে তা হলো সর্বনিম্ন এক গিগাবাইট ধারণক্ষমতার একটি ইউএসবি ড্রাইভ। বেশি হলেও সমস্যা নেই। তবে অবশ্যই দেখে নিতে হবে যে সেটি FAT ফাইল সিস্টেম সাপোর্ট করে কি না। সাধারণত অধিক ধারণক্ষমতা সম্পন্ন অর্থাৎ আট বা ষোল গিগাবাইটের অধিকাংশ পেন ড্রাইভগুলো শুধুমাত্র FAT32 ফাইল সিস্টেম সাপোর্ট করে। আর তাই সবার আগে এই বিষয়টি নিশ্চিত হতে হবে। আর লাগবে Windows XP এর একটি সিডি। সরাসরি সিডি ব্যবহার করেও কাজটি করা যায়, কিন্তু কাজের সুবিধার্থে একটি ব্যাকআপ হার্ডডিস্কে রেখে দিন। সিডি ব্যবহার করে Windows XP সেটাপের ক্ষেত্রে যে সমস্যাটি হয়, ঐ সিডিতে যদি স্ক্র্যাচ থাকে তাহলে ফাইল মিসিংয়ের একটি আশংকা থেকে যায়। যেটি পেন ড্রাইভের ক্ষেত্রে নেই বললেই চলে।
যাই হোক কিভাবে করবেন এবার সেই প্রসঙ্গে আসি। প্রথমে Bootable পেন ড্রাইভ তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় টুলসটি ডাউনলোড করে নিন। এবার নিচের ধাপগুলো ক্রমান্বয়ে অনুসরন করুন।
  • টুলসটি এক্সট্রাক্ট করে নিন এবং এর ভিতরে bootsect ও usb_prep8 নামে দুইটি ফোল্ডার পাবেন।
  • এবার আপনার পেন ড্রাইভটি ইউএসবি পোর্টের সাথে সংযুক্ত করুন।
  • usb_prep8 ফোল্ডারের ভিতরে usb_prep8.cmd নামক ফাইলটি ওপেন করুন। একটি কমান্ড প্রম্পট খুলবে।
  • এবার যেকোন কী চাপলে PeToUSB উইন্ডোটি খুলবে। নিচের স্ক্রিনশটটি দেখুন।xp1.PNG
  • PeToUSB উইন্ডোটিতে কোন পরিবর্তন না করে Start বাটনে ক্লিক করে পেন ড্রাইভটি ফরম্যাট করে নিন।
  • ফরম্যাট হলে উইন্ডো দুটি (usb_prep.cmd ও PeToUSB) বন্ধ করবেন না। এবার Start>Run এ গিয়ে cmd লিখে নতুন একটি কমান্ড প্রম্পট খুলুন। bootsect.exe ফাইলটি যে ফোল্ডারে আছে তার Path লিখতে হবে।xp3.PNG
  • মনে করুন, আপনার ফোল্ডারটি হার্ডডিস্কের F ড্রাইভে আছে। সেক্ষেত্রে প্রথমে F: লিখে Enter চাপুন। তারপর cd usbxp\bootsect লিখে Enter দিন। এবার লিখুন bootsect.exe/nt52 J: (J এর স্থলে পেন ড্রাইভের Drive Letter লিখুন)। bootsect.exe রান করার সময় লক্ষ রাখুন যাতে পেন ড্রাইভের কোন উইন্ডো Open না থাকে।xp4.PNG
  • Enter Press করার পর সব OK হলে "Bootcode was successfully updated on all targeted volumes" ম্যাসেজটি দেখতে পাবেন। এরপর এই কমান্ড প্রম্পটটি Close করে দিন। কিন্তু usb_prep8 কমান্ড প্রম্পটটি Close করবেন না।
  • এখন PeToUSB উইন্ডোটি Close করুন। এবার usb_prep8 কমান্ড প্রম্পটটি নিচের ছবির মত দেখা যাবে।xp2.PNG
  • উল্লেখ্য, এখানে ১-৩ নম্বর পর্যন্ত নির্ভুল তথ্য প্রদান করতে হবে। তাই নিচের ধাপগুলো সঠিকভাবে অনুসরণ করুন।
  • Press 1 and then Enter. একটি Folder Browse Window খুলবে। এখান থেকে হার্ডডিস্কে রাখা Windows XP এর ব্যাকআপ কপিটির লোকেশন দেখিয়ে দিন।
  • Press 2 and then Enter. ভার্চুয়াল ড্রাইভ তৈরির জন্য Drive Letter হিসেবে T চাপুন এবং Enter দিন।
  • Press 3 and then Enter. পেন ড্রাইভের Drive Letter দিন।
  • Press 4 and start the process.
  • এবার তৈরিকৃত ভার্চুয়াল ড্রাইভটি ফরম্যাট করবেন কি না তা জানতে চাইবে। Y চাপুন এবং Enter দিন।xp5.PNG
  • ফরম্যাট হয়ে গেলে Enter চাপুন। এখন দেখতে পাবেন যে XP ব্যাকআপ থেকে ভার্চুয়াল ড্রাইভে কপি হচ্ছে। এটি প্রায় ৩-৫ মিনিটের মত সময় নেবে। সম্পন্ন হলে আবার Enter চাপুন।
  • তারপর ভার্চুয়াল ড্রাইভ থেকে ইউএসবি ড্রাইভে কপি হবে কি না জিজ্ঞেস করবে। অবশ্যই Yes এ ক্লিক করবেন। প্রক্রিয়াটি শেষ হতে প্রায় ১৫ মিনিট লাগবে। তবে এটি নির্ভর করবে পেন ড্রাইভের গতির উপর।
  • প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হলে একটি popup window আসবে। Click Yes.
  • এখন সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি শেষ হলে Yes বাটনে ক্লিক করে ভার্চুয়াল ড্রাইভটি Unmount করুন।
ব্যাস হয়ে গেল আপনার Bootable Pen Drive. এখন BIOS এ ঢুকে First Boot Device হিসেবে USB সিলেক্ট করে দিলেই Boot করানো যাবে। তবে কিছু BIOS এ Boot Priority নির্বাচন করে দিতে হয়। কম্পিউটার রিস্টার্ট করার পর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলে একটি মেনু দেখা যাবে। তাতে GUI Mode এবং Text Mode নামে দুইটি Option থাকবে। এবার Text Mode নির্বাচন করে দিলেই পেন ড্রাইভ থেকে Windows XP Setup করা যাবে।

C ড্রাইভ সিস্টেম ড্রাইভ বা যেকোন ড্রাইভের স্পেস বাড়াতে/কমাতে চান??? আরো হাজারা ফিচার নিয়ে ফ্রিতে ডাউনলোড করুন EASEUS Partition Master Professional Edition 5.0.1

By : Unknown

আমাদের মাঝে অনেকেই সি ড্রাইভের স্পেস নিয়ে চিন্তিত থাকুন আবার অনেকে সি ড্রাইভের স্পেস কম বলে উইন্ডোজ সেভেন সেটাপ দিতে পারতেছেন না অথবা সি ড্রাইভের স্পেস লো দেখাচ্ছে।ব্যাপারটা আমি একটা উদাহরন দিয়ে ক্লিয়ার করছি।আমি যখন উইন্ডোজ সেটাপ দিলাম তখন আমার এক ফ্রেন্ড এসে বলল সেও উইন্ডোজ ৭ সেটাপ দিবে কিন্তু সমস্যা হচ্ছে তার C ড্রাইভ বা সিস্টেম ড্রাইভ হচ্ছে মাত্ত ৭ গিগা।কিন্তু উইস্ডোজ সেভেন সেটাপ দিতে মিনিমাম ১০-১৫ গিগা লাগে + বিভিন্ন সফটওয়্যার ইন্সটলশন স্পেসতো আছেন ।আমি উইন্ডোজ ৭+ সফটওয়্যার সেটাপ দেবার পর জায়গা লেগেছে ১৫ গিগা যদিও আমার c ড্রাইভ ২৫ গিগা।এখন আমার ফ্রেন্ডের c ড্রাইভের স্পেস বাড়ানোর জন্য আমি একটা সলিউশন খুজতেছিলাম।পুরো হার্ডডিস্ক ফরমেট করে করা যায় কিন্তু এটা কি সম্ভ??অনেক ধরনের পার্টিশন ম্যানাজার আছে যেগুলোর ফ্রি ভার্সনে c ড্রাইভের পার্টিশন বাড়ানো যায়না কিন্তু পেইড ভার্সনে বাড়ানো যায়।

আসল কথা

আজকে একটা সাইটে দেখলাম EASEUS Partition Master Professional Edition 5.0.1 Full version
ফ্রীতে ডাউনলোড করার সুযোগ দিচ্ছে।এইসব সুযোগ খুবই কম দেয়া হয়।সফটওয়্যারের জনপ্রিয়তা বাড়াতে সাধারনত মাঝেমাঝে এই্সব সুযোগ দেয়া হয়।
অনেক বকবক করে ফেলেছি এবার চলুন আসল কাজে মনোযোগ দেই।একনজরে দেখে নেই এই সফটওয়্যারটি দিয়ে কি কি করা যায়।
  • খুব সহজে C ড্রাইভের স্পেস বাড়াতে বা কমাতে পারবেন।
  • যেকোন ড্রাইভের সাইজ ছোট / বড় করতে পারবেন
  • নতুন পার্টিশন তৈরী করতে পারবেন।
  • পার্টীশন ফরমেট করার পর অথবা ডিলিট করার পর ডাটা রিকভারি করতে পারবেন।
  • নতুন উইন্ডোজ ইন্সটল ছাড়াই ব্যাকআপ এবং কপি করতে পারবেন সমস্ত ডাটা।
এছাড়া একটা প্রফেশনাল পার্টিশন ম্যানাজারে যত ধরনের ফিচার আছে সবগুলোই এতে পাবেন।
আমার মনে হয় আপনার এতক্ষনে বুঝে গেছেন এই সফটওয়্যারটা কত কাজের একটা সফটওয়্যার ।
আরও বিস্তারিত জানতে এবং ডাউনলোড করতে নিচের লিংকে টোকা দিন।

এখন কথা হচ্ছে কি করে আপনি সি ড্রাইভ বা অন্য যেকোন ড্রাইভের স্পেস বাড়াবেন???

প্রথমে কম্পিউটারের সব এ্যাকটিভ সফটওয়্যার বন্ধ করুন এবার EASEUS Partition Master চালু করুন ।এবার যেকোন ড্রাইভ কে রিসাইজ করে আপনার প্রয়োজনমত স্পেস তৈরী করুন ফাকা স্পেস টি Unallocated space হিসেবে দেথা যাবে।এবার নিচের চিত্তে দেখানো মত unallocated space এর আগের ড্রাইভটির উপরে মাউসটি রেখে ডানদিকে ড্রাগ করুন তাহলে Unallocated স্পেসটি বামদিকে সরে আসবে এভাবে সি ড্রাইভের পরেই Unallocated স্পেস টি নিয়ে আসুন।এবার সি ড্রাইভ এর resize এ যান তারপর মাউসটি ডানদিকে ড্রাগ করুন তাহলে দেখবেন স্পেস বেড়ে গেছে।আর কোন সমস্যা হলে এই্ লিংকটিতে টোকা দিন এখানে আরও বিস্তারিত ভাবে দেওয়া আছে।বুঝতে সমস্যা হলে মন্তব্য করুন আমি জানিয়ে দেব।
null
আরেকটা জরুরি কথা আপনার ফাইল সিস্টেম যদি এনটিএফএস থাকে তাহলে রিস্টার্ট লাগবেনা আর যদি ফেট হিসেবে থাকে তাহলে রিস্টার্ট লাগবে এবং ফ্রি ডাউনলোড করতে পারবেন শুধুমাত্ত এই মাসের ২০ তারিখ পযর্ন্ত তার পরে আর অফারটি থাকবেনা।

এন্ড্রয়েড ফোন এর ইন্টারনেট শেয়ার করুন কম্পিউটার এ ( Tether Via USB,WiFi,Bluetooth)

By : Unknown

USB tethering (Usb cable এর মাধ্যমে) ঃ
১.প্রথমে Usb ক্যাবল এর মাধ্যমে এন্ড্রয়েড স্মার্টফোনটি সংযুক্ত করুন
২.তারপর সেটিংস এ গিয়ে Wireless & networks এর More এ প্রবেশ করুন
.Tethering & Portable wifi hotspot নামে Option পাবেন

.Usb Tethering এ মার্ক করুন
৫.কিছুক্ষন অপেক্ষা করুন দেখবেন কানেক্ট হয়ে গেছে
WiFi Tethering (Portable hotspot) :
আপনি ইচ্ছে করলে আপনার এন্ড্রয়েড স্মার্টফোনটি Wifi Hotspot করে ফেলতে পারেন( WiFi-zone) এর মতো। আপনার ডিভাইস এর রেঞ্জ অনুযায়ী আশেপাশের সবাই আপনার ডিভাইস এর মাধ্যমে WiFi connect করতে পারবে। কানেকশন সিকিউর করে রাখবেন পাসওয়ার্ড  এর মাধ্যমে :D কানেকশন ওপেন করে রাখলে আপনার অজান্তেই সবাই WiFi কানেক্ট করতে পারবে
১. Tethering & Portable hotspot এর মেনুতেই আপনি Hotspot করার option পাবেন
২.প্রথমে Setup WiFi Hotspot এ গিয়ে পাসওয়ার্ড আর কানেকশন টাইপ সিলেক্ট করে নিন আপনার পছন্দ মতোন
.Portable WiFi hotspot মার্ক করে দিন
৪.অন্য ডিভাইস থেকে WiFi সার্চ দিন
৫. আপনার ডিভাইসটি পাবে
৬.পাসওয়ার্ড দিয়ে কানেক্ট করুন
Desktop এ WiFi কানেক্ট করতে হলে আপনার কম্পিউটার এ WiFi ডিভাইস থাকা লাগবে। খুব কম মুল্যেই আপনি WiFi Dongle কিনতে পারেন ।
আমি TP-Link এর TL-WN727N ব্যবহার করি। কিনেছিলাম ৮০০ টাকা দিয়ে
Bluetooth Tethering:
১.প্রথমে আপনি আপনার SmartPhone আর Computer এ Bluetooth Pairing করে নিন
২.উপরের ছবির মতোই আবার Tethering & Portable hotspot এ যান
.Bluetooth tethering এ মার্ক করুন
৪. কম্পিউটার এর টাস্কবার এ Bluetooth আইকনে রাইট ক্লীক করে Join a personal network এ ক্লীক করুন

৫.আপনার ফোন Show করবে এইখানে

৬.ফোন এর আইকন এর উপর Right Click করে Connect using Access Point এ ক্লীক করুন
৭.ইন্টারনেট কানেক্ট হয়ে যাবে
Note:Gingerbread এ আপনি Bluetooth tethering Option পাবেন না,এটি শুধুমাত্র IceCreamSandwitch আর Jellybean এর জন্য

পেন ড্রাইভে windows8 এর Recovery drive বানিয়ে নিন সময় বাচান।

By : Unknown

অনেক সময়  বিভিন্ন কারনে windows এর ফাইল damage , corrupted  হয়ে যায় তাই software setup হয়না। Pc slow হয়ে যায় আরো একাধিক Problame হয়ে থাকে এর কারনে আবার নতুন করে windows সেটআপ করতে হয়। রিপেআর ড্রাইভ বানিয়ে নিন আপনার মূল্যবান সময় বাচান।
(১)   Recovery এর ধরন অনুযায়ী পেন ড্রাইভ নিন contents Recovery এর জন্য ১ জিবি। basic Recovery এর জন্য ২ জিবি। আর OEM recovery partition এর জন্য ১৬ জিবি।
পেন ড্রাইভ টি পিসি তে লাগিয়ে নিন।
এর পর পিসি চালু করুন  অবশ্যই Windows8 ‍system থাকতে হবে।
[Windows] + W চাপুন।
Search Settings page আসবে এরপর Search বক্সে টাইপ করুন Recovery Drive

এরপর ক্লিক করুন Create a recovery drive এরপর নিচের ছবিটির মতো Yes ক্লিক করুন।

ইয়েস ক্লিক করার  পর আরেকটি ছবি আসবে নিচের ছবিটি দেখুন

এরপর Next Click করুন।

এরপর আপনার পেন ড্রাইভ দেখাবে Hard Disk driver এর সাথে।
                                                                              এরপর Create –এ ক্লিক করুন।

কপি হচ্ছে

কপি হয়ে গেলে এই ছবিটির মতো দেখাবে।  এরপর পরে আরেক টি ছবি আসবে সেখানে Finish ক্লিক করে দিবেন। এভাবেই সমাপ্ত হবে ।

বিজয় বায়ান্ন দিয়েই সকল ধরনের বাংলা টাইপ করুন একদম সোজা। সাথে বিজয় বায়ান্ন Serial Key সহ আপডেট ভার্সন ডাউনলোড করে নিয়ে নিন।

By : Unknown
আজ আমি আপনাদের সাথে একটি গুরত্ব পূর্ন সফটওয়্যার নিয়ে কিছু গুরত্ব পূর্ন কথা বলব। আমরা অনেকেই ইন্টারনেটে বাংলায় লেখালেখি করে থাকি। কিন্ত বাংলায় লেখতে গেলে আমাদের একটু সমস্যায় পড়তে হয়। তা হলো আমরা সাধারনত বিভিন্ন ফন্ট ব্যবহার করে বাংলা লেখে থাকি কিন্ত এধরনের বাংলা অনেক আংশে ইন্টা্রনেটে সাপট করে না এবং পাঠকদের পড়তে অসুবিধা হয়ে থাকে। তাই আমরা অনেকে অনেক ধরনের  সফটওয়্যার ব্যবহার করে ইন্টারনেটে বাংলা লেখে থাকি। যেমন:-অভ্র, এটি অনেক জনপ্রিয়। আমার কথা হলো অভ্র অনেক জনপ্রিয় হলেও এর জন্য আলাদা ভাবে টাইপিং সিখতে হয় অথবা কিছু সেটিং পাল্টাতে হয় এটি অনেকের জন্য ঝামেলার বিষয় হয়ে দাড়ায়। তাই আমি আজ আপনাদের এমন একটি সফটওয়্যার এর কথা বলব যাতে আমরা একসাতে ইন্টারনেটে এবং অফিস প্রোগ্রামে একটি সফটওয়্যার দিয়ে বাংলা লেখতে পারি এতে কোন অতিরিক্ত ঝামেলা নেই (দুটি সফটওয়্যার ইনেস্টল দেওয়ার জামেলা থাকলো না)।

কাজে জাবার আগে একটি কথা বলে নেই এটি হয়তো অনেকে যেনে থাকতে পারেন আমি আমার টিউনটি করছি যারা যানেনা তাদের জন্য। কাজের কথায় যাই
বিজয় বায়ান্ন ‍দিয়ে ইউনি কোডে (Unicode) লেখার নিয়ম।
১/ আমরা প্রথমে সফটওয়্যার টি ইনেস্টল করে নিব।
২/ তারপর কম্পিউটারটি রিস্টাড  ‍দিয়ে ‍Serial Key ‍দিয়ে ‍দিবেন।
৩/  এবার কম্পিউটার এর ডেস্কটপে বিজয় বায়ান্ন এর একটি আইকন দেখতে পাবেন এখানে ‍গিয়ে ইউনিকোডে (Unicode) ক্লিক করুন (নিছের ‍চিত্রের মত করে) ।
bijoy

পছন্দের কিছু চরম এবং অবশ্যই দরকারি অ্যান্ড্রয়েড Apps

By : Unknown

এন্ড্রোয়েড সম্পর্কে বলার তেমন কিছু নেই কারন এখন সবাই এন্ড্রোয়েড এর ভক্ত হয়ে গেছে। অসাধারন একটি মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম। "এন্ড্রোয়েড স্মার্ট ফোন হ্যান্ডস আপ"; কাজের কথায় আসি আমি মনে করি যে কোন অ্যাপস ব্যবহার করেন না তারা ভাব দেখানোর জন্য স্মার্টফোন না কিনে নকিয়া কিনেন।  :lol:
এবার আসুন আমার পছন্দের কিছু চরম এবং অবশ্যই দরকারি এন্ড্রোয়েড অ্যাপস এর সাথে পরিচয় করিয়ে দেই। এগুলো ব্যবহার করলে আপনার স্মার্ট ফোনটি হয়ে উঠবে আরও বেশি স্মার্ট।  :-D

Adaptxt Keyboard - Phone

Adaptxt Keyboard - Phone
নাম দেখেই বুঝতে পারছেন এটা একটা কী-বোর্ড অ্যাপস। বেশ অনেক গুলো কী-বোর্ড অ্যাপস ব্যবহার করেছি কিন্তু এটা মত সুবিধা কোনটাতে পাইনি। বেশ ইউজার ফ্রেন্ডলি কী-বোর্ড। এটার বিশেষত্ব হলঃ
Adaptxt Keyboard
  • আপনি আপনার মন মত কী-বোর্ড থিম বানাতে পারবেন বা কাস্টমাইজ করতে পারবেন। মানে আপনি আপনার ফোনের কালারের সাথে ম্যাচ করে কী-বোর্ড কালার ব্যবহার করতে পারবেন।
  • ৭৪ টা ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যাড-ওনস আছে। মানে আপনি এই অ্যাড-ওনস গুলো ডাউনলোড করে ওই ভাষায় লিখতে পারবেন এতে বাংলিশ অ্যাড-ওনস আছে যাতে আপনাকে বাংলিশ লিখতে সাহায্য করবেন যেমন আপনি যদি কী-বোর্ড এ লিখতে চান Valobashi (ভালোবাসি) তবে valo লিখলেই আপনাকে সাজেশন দিবে valobashi.
  • ডিকশনারি তে আপনার নিজেস্ব শব্দ অ্যাড করতে পারবেন এতে পরবর্তীতে ওই শব্দ লিখতে গেলে আপনাকে সাজেশন দিবে।
এমন আরও অনেক সুবিধা আছে এই অ্যাপস টিতে। ব্যবহার করতে পারেন অনেক কাজে দিবে অ্যাপসটি।
Install Adaptxt Keyboard - Phone from Google Play

Advanced Mobile Care

Advanced Mobile Care
পিসির ক্ষেত্রে Utility Software গুলোর মধ্যে Advance System Care খুব পছন্দের এবং অনেক কার্যকরী সফটওয়্যার । ঠিক তেমনি এন্ড্রোয়েড ফোনের ক্ষেত্রেও Utility Apps এর মধ্যে খুব পছন্দের অ্যাপস Advanced Mobile Care. এই দুটি অ্যাপলিকেশনই iobit এর। তো যাই হোক যা যা আছে এই Advance System Care এঃ
Advanced Mobile Care
  • সিস্টেম টিউনআপঃ যা আপনার মোবাইলের সিস্টেমকে টিউন করার কাজে ব্যবহার হবে।
  • গেম স্পীডারঃ মোবাইলে গেম গুলো বেশ স্মুথ ভাবে খেলতে পারবেন।
  • ব্যাটারি সেভারঃ ব্যাটারি ভাল ভাবে অপ্টিমাইজ করার জন্য বেশ অনেক সেটিংস আছে।
  • অ্যাপস ম্যানেজারঃ এর মাধ্যমে অ্যাপস মুভ করা, আনইন্সটল করা, অ্যাপস ম্যানেজ করা ইত্যাদি করা যায়।
  • টাস্ক কিলারঃ অটো বা মেনুয়াল ভাবে টাস্ক কিল করার সুবিধা আছে।
  • ব্যাকআপঃ মোবাইলের ফোন নাম্বার, কল হিস্টোরি ইত্যাদি ক্লাউডে ব্যাকআপ রাখার সুবিধা আছে।
  • প্রাইভেসি লকারঃ মোবাইলের প্রাইভেট ছবি, ভিডিও বা যে কোন ফাইল পাসওয়ার্ড দিয়ে লক করার সুবিধা আছে এতে।
কাজে লাগার মত বেশ অনেক সুবিধা আছে এতে। এটা ব্যবহার করে যে এক ঢিলে অনেক পাখি মারা যাবে তাতে কোন সন্দেহ নেই।  8-)
Install Advanced Mobile Care from Google Play

APP Lock

APP Lock
নামেই বুঝতে পারছেন কাজ কি। অ্যাপস লক করা এর কাজ। ও ভুল বললাম এমন কি আছে লক করা যায় না এটা দিয়ে। নতুন ভার্শনে প্রায় সব কিছুই লক করা যায় এটা দিয়ে। আপনি যদি আপনার মোবাইলে প্রাইভেসি রাখতে চান তবে আপনার জন্য বেষ্ট অ্যাপস এটি। আসুন দেখে নেই কি কি পাবেন এতেঃ
APP Lock
  • প্যাটার্ন অথবা নাম্বার দুটা দিয়েই আপনি লক করতে পারবেন।
  • যে কোন ধরনের অ্যাপস ওপেন করা থেকে বিরত রাখবে।
  • ইনকামিং কলও লক করা যাবে। মানে আপনার আপনি ছাড়া আপনার ইনকামিং কল অন্য কেউ রিসিভ করতে পারবে না।
  • উইজেট এর মাধ্যমে দ্রুত লক বা আনলক করার সুবিধা পাবেন।
Install APP Lock from Google Play

Call Blocker

Call Blocker
হাঁ কল ব্লক করা। স্মার্ট ফোন ব্যবহার করে যদি মোবাইলে অপারেটর দের কল ব্লক করার জন্য টাকা দেন এর চেয়ে লজ্জার মনে হয় না আর কিছু আছে। তবে এটা শুধু কল ব্লকার না এতে আরও অনেক সুবিধা পাবেন আপনি। এটা আপনার প্রাইভেসিও রক্ষা করবে। এই অ্যাপসটি যা যা সুবিধা দিবেঃ
Call Blocker
  • যে কোন সময় যে কোন নাম্বার ব্লক করতে পারবেন এতে ওই নাম্বার থেকে আপনাকে ফোন করতে পার না। কিন্তু আপনি দেখতে পারবেন কখন কতবার আপনাকে ফোন করেছে।
  • ব্লক করা নাম্বারে অটো ম্যাসেজ পাঠানোর সুবিধা পাবেন এতে।
  • ফোন নাম্বার ব্যাকআপ রাখার সুবিধা পাবেন এতে এবং সেগুলো একাধিক প্লাটফরম এ ব্যবহার করতে পারবেন যেমনঃ সিম্বিয়ান মোবাইল, এন্ড্রোয়েড মোবাইল, ব্ল্যাকবেরি মোবাইল ইত্যাদি।
  • প্রাইভেট ফোন নাম্বার, প্রাইভেট ম্যাসেজ এবং কল লগ আলাদা প্রাইভেট স্পেসে রাখতে পারবেন। যা সাধারনত ফোন বুক বা ম্যাসেজ বক্স এ মানুষ খুঁজে পাবে না।
Install Call Blocker from Google Play

Elixir 2

Elixir 2
এটি মূলত একটি সিস্টেম ইনফরমেশন অ্যাপলিকেশন। যত ধরনের ইনফরমেশন জানতে চান সব কিছু জানতে পারবেন আপনি এর মাধ্যমে। খুব কাজের অ্যাপস এন্ড্রোয়েড ডেভলপার দের জন্য + সাধারন ইউজারদের জন্য। এক সাথে অনেক কিছু পাবেন এতে। তো দেখে নেই কি কি থাকছে এই অ্যাপস এঃ
Elixir 2
  • হার্ডওয়্যার ইনফরমেশনঃ আপনার ফোনের হার্ডওয়্যার সংক্রান্ত যত ইনফরমেশন আছে সব বিস্তারিত জানতে পারবেন। যেমনঃ ইন্টারনাল/ এক্সটারনাল মেমরি, ব্যাটারি, ডিসপ্লে, ক্যামেরা, সিপিইউ ইত্যাদি।
  • সফটওয়্যার ইনফরমেশনঃ ফোনের সফটওয়্যার সংক্রান্ত ইনফরমেশন পাবেন এতে। যেমনঃ অপেরেটিং সিস্টেম সেটিংস, কনফিগারেশন, ফিচারস ইত্যাদি।
  • ফোনের সেটিংস পরিবর্তন করতে পারবেন। যেই অপশন ডিফল্ট ভাবে থাকে না এমন সেটিংস।
  • অ্যাপস ইনফরমেশন, মুভ করা, লোকেশন দেখা, ক্যাশ মুছা, ব্যাচ মুড এনেবল বা ডিজেবল করা ইত্যাদি।
  • অনেক গুলো ইউজেট পাবেন বিভিন্ন কাজের সুবিধার জন্য।
Install Elixir 2 from Google Play

Prey Anti-Theft

Prey Anti-Theft
খুবই কাজের একটি অ্যাপস এটি। উপরে ছবিতে তাদের স্লোগান দেখেলেই কিছুটা বুঝা যায় কাজ কি। "THEY CAN RUN BUT THEY CAN'T HIDE." মানে বুঝিয়েছে চোর দৌড়াতে পারবে কিন্তু তারা লুকিয়ে থাকতে পারবে না। :lol: এই অ্যাপস টা মূলত আপনার ফোন হারিয়ে গেলে বা চুরি হলে কাজে লাগবে। যেকোনো সিম ফোনে ব্যবহার করুন না কেন টা আপনি জানতে পারবেন। যদি জিপিএস থাকে তবে ফোনের লোকেশনও দেখতে পারবেন। এটা যে কোন কম্পিউটার বা ল্যাপটপ এর মাধ্যমে কন্ট্রোল করতে পারবেন। এই অ্যাপস এর ফিচারসমূহঃ
Prey Anti-Theft
  • ফোন চুরি হয়ে গেলে আপনি ফোন দূর থেকেই লক করে দিতে পারবেন।
  • আপস আনইন্সটল প্রোটেক্ট করতে পারবেন মানে আপনার অনুমতি ছাড়া কেউ কোন অ্যাপস আনইন্সটল করতে পারবে না।
  • ফোন হারিয়ে গেলে ফোনের লোকেশন দেখতে পারবেন।
  • ফোনে অ্যালার্ম সাউন্ড দিতে পারবেন ল্যাপটপ বা কম্পিউটার থেকেই।
  • চোর সিম পরিবর্তন করুন সমস্যা নেই আপনি চোরকে ম্যাসেজ দিয়ে কিছু বলতে পারবেন।
এক কথায় অসাধারন এবং খুবই কাজের একটি অ্যাপস। ব্যবহার না করলে ফোন হারিয়ে গেলে এক সময় আফসোস করতে হবে।
Install Prey Anti-Theft from Google Play

Link2SD

Link2SD
মারাত্মক কাজের অ্যাপস এটি। রুট ইউজাররা বিশাল সুবিধা পাবে এর মাধ্যমে।  অনেকেরই ফোন মেমরি খুব কম থাকে। ৪০০/৫০০ এমবি। কিন্তু কিছু কিছু অ্যাপস আছে যা ফোনের ইন্টারনাল মেমরিতেই রাখতে হয় নাহলে কাজ করেনা। বা ডিফল্ট অ্যাপস গুলোও ফোন মেমরিতে থাকে। কাজে না লাগলেও ফোন মেমরি দখল করে বসে থাকে। এই সমস্যা সমাধান পেতে যারা চান তাদের জন্য খুবই দরকারি অ্যাপস এটি।
Link2SD
এই অ্যাপসটি মূলত আপনার SD মেমরি কার্ডের সাথে আপনার ফোনের ইন্টারনাল মেমরির লিঙ্ক তৈরি করে। এতে SD কার্ডের একটি অংশকে ফোন মেমরির মত করে ব্যবহার করা যায়। এটা একটিভ করার পর আপনার ইন্টারনাল মেমোরির অদরকারি অ্যাপস গুলো বা সকল অ্যাপস গুলো SD কার্ডের লিঙ্ক করা অংশে রাখতে পারবেন।
এটা ব্যবহার করার জন্য অনেক ঝামেলা করতে হয়। ফোন রুট করতে হয় তারপর SD কার্ডকে পার্টিশন সফটওয়্যার দিয়ে একটি পার্টিশন করতে হয়। এরপর সেই পার্টিশন অংশকে অ্যাপস এর মাধ্যমে কনফিগার করতে হয়। শুধু মাত্র এই অ্যাপসটি কনফিগারেশন ও ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত একটি পোস্ট লিখব খুব শিগ্রই।
Install Link2SD from Google Play
আজ এ পর্যন্তই... খুব শীঘ্রই আরও নতুন নতুন ও কার্যকরী অ্যাপস নিয়ে পোস্ট করব। অ্যাপস গুলো ভাল লাগলে অন্যের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

- Copyright © Creative Computer | IT Tips & Triks - Date A Live - Powered by Blogger - Designed by Johanes Djogan -