Popular Post

Archive for এপ্রিল 2013

অনলাইনে দেখুন বিশ্বের অধিকাংশ টিভি চেনেল কোনো প্রকার সফটয়ার ছাড়া

By : Unknown
আসসালামু আলাইকুম বুন্ধুরা কেমন আছেন ? আশা করি সবাই ভালো আছেন । আমরা অনেকে অনলাইনে লাইভ টিভি , অথবা লাইভ খেলা দেখার চেষ্টা করি কিন্তু অজানা থাকার কারণে দেখতে পারিনা , অনেকের বাসায় টিভি নাই কিন্তু কম্পিউটার আছে ,ডিস নাই কিন্তু ইন্টারনেট আছে আবার অনেকে অফিসে থাকেন , মূলত এই টিউনটা তাদেরই জন্য ।
আমি আপনাদেরকে দুইটি সাইটের সাথে পরিচয় করিয়ে দিব যার মধ্যে একটি বাংলার জন্য আর একটি বাহিরের জন্য তবে দুনতায় ভালো আমার পরীক্ষিত ,
এবার নিয়ে নিন সিটের এড্রেস গুলো ,
বাংলার জন্য , http://www.jagobd.com
বাহিরের জন্য , http://kasperwindow.blogspot.com/p/online-tv.html



বানিয়ে নিন নিজের একটি ওয়াইফাই জোন

By : Unknown
বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই? আশা করে ভাল আছেন, আমিও আপনাদের দোয়ায় ভাল আছি। শিরোনাম দেখে আশা করে বুঝে ফেলেছেন যে আজ কি নিয়ে টিউন করব, হাঁ
আজকে আমি আপনাদের সাথে এমন একটি সফটওয়্যার শেয়ার করতে যাচ্ছি, যা দিয়ে খুব সহজেই আপনার ডেস্কটপ অথবা ল্যাপটপ কে ওয়াইফাই হট স্পট
এ পরিনত করতে পারবেন। আসুন দেখি কি দরকার আমার ল্যাপটপ কিংবা ডেস্কটপ কে হট স্পট এ পরিনত করার ?
আমি নিজে বাসাতে মোট তিনটি ডিভাইস ব্যবহার করি, একটি ডেস্কটপ, একটি ল্যাপটপ এবং একটি স্মার্ট ফোন। তিনটি তে আলাদা আলাদা
ইন্টারনেট লাইন নিতে গেলে আমার পকেট শেষ… তাই অনেক দিন থেকেই ভাবছিলাম কি করা যায়। হ্যা করার অনেক কিছুই আছে,
তবে আমি চাচ্ছিলাম সবচাইতে সহজ একটি উপায়। আর এই সহজ উপায়টিই আমাকে দিয়েছে, Connectify.me নামের একটি সফটওয়্যার।
software টি Download করতে এখানে ক্লিক করুন, এবার ইন্সটল করে নিন আপনার ডেস্কটপ অথবা ল্যাপটপ এ। মনে রাখবেন,
ওয়াইফাই হট স্পট বানাতে আপনার নিচের হার্ডওয়্যার গুলো থাকতে হবে;
ডেস্কটপ অথবা ল্যাপটপ কম্পিউটার।
ডেস্কটপ হলে, একটি ওয়াইফাই কার্ড (PCI অথবা USB ডংগল), আর ল্যাপটপ হলে ল্যাপটপ এর ওয়াইফাই কার্ড। ওয়াইফাই কার্ড এর আপডেট ড্রাইভার।
Connectify সফটওয়্যার টি।
একটি ইন্টারনেট কানেকশন।
যদি ডেস্কটপ হয়ঃ
আপনি যদি আপনার ডেস্কটপ দিয়ে ওয়াইফাই হট স্পট বানাতে চান, তবে, প্রথমেই আপনার ডেস্কটপ এ আপনার ওয়াইফাই কার্ড টিকে ইন্সটল করেনিন (ড্রাইভার সহ)।
যদি ল্যাপটপ এ হয়ঃ
আপনি যদি আপনার ল্যাপটপ দিয়ে ওয়াইফাই হট স্পট বানাতে চান, তবে, প্রথমেই আপনার ল্যাপটপ এ আপনার ওয়াইফাই কার্ড টিকে এনাবল করে নিন (প্রয়োজনে আপডেট ড্রাইভার ইন্সটল করে নিন)।
এখন হয়ত অনেকেরই মাথায় হাত উঠে গেছে যে update driver পাব কই? no টেনশন আমি আছিনা? মাথায় হাত দেওয়ার কোন দরকার নাই,
driver টি download করে নিন এখান থেকে। তারপর win rar দিয়ে extract করে setup দিয়ে দিন।
এবার, Connectify সফটওয়্যার টি ইন্সটল করুন। সফটওয়্যার টি ইন্সটল করা খুবি সোজা, শুধু মাত্র, কয়েকবার
নেক্সট নেক্সট করে গেলেই দেখবেন সফটওয়্যার টি ইন্সটল হয়ে গেছে। install শেষে হয়ত computer restart চাইবে, তখন restart দিয়ে দিবেন।
এবার software টি open করুন।
সফটওয়্যার টি open হবার পরে নিচের ছবির মতন একটি ইউজার ইন্টারফেস দেখতে পাবেন। আসুন পরিচিত হয়ে নেই এই ইন্টারফেস এর বিভিন্ন অংশের সাথে;
সেটিংস্‌ ট্যাব এ প্রথমেই আছে, Hotspot Name এবং Password যেহেতু আমি লাইট ভার্সন টি ব্যবহার করছি তাই আমি আমার হট স্পট এর নাম যাই দেই না কেন, আগে অবশ্যই Connectify লিখা থাকবে। এখানে আমি নাম দিয়েছি, “Connectify-test”.
আর Password হচ্ছে, আপনি যেই কী টা দিতে চান আপনার নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির জন্য তা দিয়ে দিন।

এর পরে আসছে; Internet to Share, তার মানে, এখানে আপনি ঠিক যেই ইন্টারনেট কানেকশন টি শেয়ার করতে চাচ্ছেন, তা সিলেক্ট করে দিন। আমার ল্যাপটপ এ Broadcom NetXtreme 57XX নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড এর মাধ্যমে ইন্টারনেট কানেকশন এসেছে, আর আমি চাচ্ছি যে, এই ইন্টারনেট টিকে আমি আমার হট স্পট এ শেয়ার করব; তাই আমি Internet to Share এ আমার Broadcom NetXtreme 57XX নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড টিকে সিলেক্ট করে দিয়েছি।
হাঁ আপনারা হয়ত wiMAX বা অন্য কোন CONNECTION ব্যাবহার করে থাকতে পারেন, সে ক্ষেত্রে আপনারা internet to share এ wiMAX বা
এ জাতিয় অন্য কিছু আসলে অটাকে সিলেক্ট করে দিবেন।
এবার আসুন Advanced Settings এ, এখানে দুটি পার্ট আছে; প্রথমটি হচ্ছে; Share Over; এখানে আপনি দেখিয়ে দিবেন (যদি আপনার কম্পিউটার এ একের অধিক ওয়াইফাই ইন্টারফেস থাকে, যেমন আমার ল্যাপটপ এ একটি বিল্ট-ইন ওয়াইফাই আছে এবং একটি ওয়াইফাই ডংগল আছে) কোন ইন্টারফেস টি দিয়ে আপনি আপনার অন্য ডিভাইস গুলো কে কানেক্ট করতে চাচ্ছেন।
এবার আসুন sharing mode এ।
Connectify মোট তিনটি Sharing Mode সাপোর্ট করে, যেগুলো হচ্ছে;
Wi-Fi Access Point, Encrypted (WEP2)
Wi-Fi Ad- Hoc, Open
Wi-Fi Ad- Hoc, Encrypted
আমার স্মার্ট মোবাইল টি Wi-Fi Access Point,Encrypted (WEP2); সাপোর্ট করে না, সুতরাং আমি সিলেক্ট করেছি; Ad-Hoc
এবার সরাসরি “Start Hotspot” বাটন টিতে ক্লিক করে দিন।
এবার দেখুন সফটওয়্যার টির উপর দিকে একটি সবুজ রঙ এর চিহ্ন দেখাচ্ছে তার মানে হল আপনার ওয়াইফাই হট স্পট ঠিক মতন চলছে।
ব্যাস হয়ে গেল আপনার নিজের জন্য একটি ওয়াইফাই হট স্পট।
আর Clients ট্যাব টিতে ক্লিক করে আপনি দেখে নিতে পারবেন, কোন কোন ডিভাইস আপনার হট স্পট এ সংযুক্ত আছে এবং কোন কোন ডিভাইস আপনার হট স্পট এ সংযুক্ত ছিল।
এবার আপনার ক্লাইণ্ট ডিভাইস, মানে যেই ডিভাইস টিতে এই ওয়াইফাই হট স্পট টি ব্যবহার করে ইন্টারনেট পেতে চাচ্ছেন, তা দিয়ে স্ক্যান করে দেখুন, Connectify-test নামের নেটওয়ার্ক টি পাচ্ছেন কি না, পেলে প্রথম ধাপে ব্যবহার করা password টি দিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে থাকুন।

সফটওয়্যার এ "Built In Registry Cleaner" ও বিদ্যমান, যা আপনাকে আপনার রেজিষ্ট্রি ক্লিন রাখতেও সাহায্য করবে।

By : Unknown
আমরা সাধারনত Windows এর Temp File গুলো মুছতে ও Junk File গুলো থেকে PC Clean রাখতে Windows এর Built In "Disk Clean Up" ব্যবহার করি।
কিন্তু ইদানিং অনেক Pc Cleaner Software বের হয়েছে এবং এগুলো বেশ ভালো Software। তবে এদের মধ্যে "Ccleaner" বেশ উল্লেখযোগ্য। আপনি এই সফটওয়্যার টি ব্যবহার করে আপনার পিসি কে পুরোপুরি Temp ও Junk File থেকে মুক্ত রাখতে পারবেন।
এছাড়া এই সফটওয়্যার এ "Built In Registry Cleaner" ও বিদ্যমান, যা আপনাকে আপনার রেজিষ্ট্রি ক্লিন রাখতেও সাহায্য করবে।
তাই দেরি না করে আজই ডাউনলোড করুন জরুরি এই ফ্রি সফটওয়্যারটি।
আপনি FileHippo অথবা Software Author Piriform থেকে এই সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করতে পারেন।
এছাড়াও পিরিফর্ম সাইটে আপনি আরও কিছু দরকারি সফটওয়্যার যেমন :
  • 1. Defraggler
  • 2. Recuva
ইত্যাদি সফটওয়্যার গুলো পাবেন।
এদের মধ্যে Defraggler সফটওয়্যার দ্বারা আপনি কয়েক মিনিটে আপনার প্রয়োজনীয় ফাইল গুলো ডিফ্রাগ করে নিতে পারবেন।
এই সফটওয়্যারটি খুব দ্রুত আপনার পিসি ডিফ্রাগমেন্ট করে দিবে।
Defraggler সফটওয়্যারটিও আপনি FileHippo তে পাবেন।
আশা করি এই সফটওয়্যারগুলো আপনাদের কাজে আসবে।

সফটওয়্যার এর উইন্ডোজ Validity Check বাইপাস করুন 1 ক্লিকে

By : Unknown




উইন্ডোজ এর নিজস্ব কিছু সফটওয়্যার যেমন Windows Media Player 11/ Internet Exploere 7 ইত্যাদি ইন্সটল করতে গেলে উইন্ডোজ জেনুইন কিনা তা চেক করতে চায় এবং তা করতে আপানকে ওয়েবসাইটে গিয়ে চেক করতে হবে। কি দরকার এতো ঝামেলা করার। 1 ক্লিক এই কাজ সারুন। সফটওয়্যার টি ইন্সটল করার আগে শুধুমাত্র Registry File টি Run করান । সফটওয়্যারটি আর ইন্টারনেটে গিয়ে Validity Check করবে না।
বি:দ্র : প্রতিবার এই ধরনের সফটওয়্যার ইন্সটল করার আগে এই ট্রিকস টি করতে হবে।
Registry File টি এইখান থেকে দয়া করে ডাউনলোড করে নিন।

Download

উইন্ডোজ ইনষ্টল করুন মাত্র কয়েক মিনিটে

By : Unknown


অনেক কারনেই আমাদের উইন্ডোজ নষ্ট হয়ে যায়। ফলে কয়েক ঘন্টা ব্যায় করে উইন্ডোজ এবং অনান্য এ্যাপলিকেশন প্রোগ্রাম ইনষ্টল করতে হয়। কিন্তু কয়েক মিনিটেই যদি উইন্ডোজসহ সকল এ্যাপলিকেশন ইনষ্টল করা যায় তাহলে কেমন হয়! হিরেন বুট সিডি দ্বারা আপনি কয়েক মিনিটেই উইন্ডোজসহ উক্ত ড্রাাইভে ইনষ্টল করা সকল এ্যাপলিকেশন ইনষ্টল করতে পারেন। এজন্য উইন্ডোজের ড্রাইভ ইমেজ করে রাখতে হবে এবং প্রয়োজনে তা রিস্টোর করলেই হবে। ৯৫ মেগাবাইটের ফ্রি সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে আনজিপ করে সিডিতে রাইট করুন। আর হিরেন বুট সিডির বিস্তারিত তথ্য (সকল দরকারি টুলসের বর্ণনা) পাওয়া যাবে http://www.hiren.info/pages/bootcd এই সাইটে।
ইমেজ তৈরী করা: এখন একটি ড্রাইভে নতুন করে উইন্ডোজ ইনষ্টল করুন এবং দরকারী সকল এ্যাপলিকেশন, ড্রাইভার ইনষ্টল করুন (পূর্বে ইনষ্টল করা থাকলেও হবে)। এরপরে এবার সিডিটি প্রবেশ করিয়ে সিডি থেকে বুট করুন। তাহলে Hiren’s All in 1 BootCD আসবে যেখানে কীবোর্ড দ্বারা Disk Clone Tools… নির্বাচন করে এন্টার করুন। পরবর্তী স্ক্রিন থেকে Acronics Image Enterprise Server নির্বাচন করে এন্টার করলে কিছুক্ষণের মধ্যে গ্রফিক্যাল মুডে Acronics Image Enterprise Server উইন্ডো আসবে, যেখানে মাউস ব্যবহার করা যাবে।
এবার Create Image এ ক্লিক করে Next করুন তাহলে হার্ডড্রাইভগুলো দেখা যাবে। ধরি C: ড্রাইভে উইন্ডোজ ইনষ্টল করা আছে এবং আপনি C: ড্রাইভ ইমেজ করতে চাচ্ছেন। তাহলে C: ড্রাইভ নির্বাচন করে Next করুন এবং Information মাসেজ আসলে Ok করুন। এবার যে ড্রাইভে ইমেজটি সেভ করতে চাচ্ছেন সেই ড্রাইভ নির্বাচন করে ফাইলের নাম লিখে Next করুন। এখন Create Image Mode উইন্ডো থেকে Create the full backup Image Archive অপশন নির্বাচিত রেখে Next করুন এবং Image Archive Splitting উইন্ডোতে Automatic অপশন রেখে Next করুন এবং Compression Level উইন্ডোতে এ Maximum (এতে ইমেজের সাইজ কমে যাবে কিন্তু তৈরী এবং ইনষ্টল করতে একটু বেশী সময় লাগবে, আর Normal নির্বাচন করলে ইমেজ সাইজ বড় হবে এবং সময় কম লাগবে।) নির্বাচন করে Next করুন। এরপরে Image Archive protection এ ইচ্ছা করলে পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে পারেন। এবার Next করে Image Archive Comments Next করুন। এখন Proceed বাটনে ক্লিক করলে ইমেজ তৈরী হবে।
ইমেজ রিস্টোর করা: যখন আপনার উইন্ডোজ ইনষ্টল করার প্রয়োজন হবে তখন এই ইমেজটি রিস্টোর করে দিলেই হবে। আপনি যে ড্রাইভে ইনষ্টল করবেন সেই ড্রাইভ ফরম্যাট করতে হিরেন বুট সিডি থেকে Partition Tool থেকে Partition Magic Pro 8.05 এর মাধ্যমে ড্রাইভটিকে ফরম্যাট করতে পারেন।
ইমেজটি রিস্টোর করার জন্য পূর্বের নিয়মে গ্রফিক্যাল মুডে Acronics Image Enterprise Server উইন্ডো আনুন। এবার Restore Image এ ক্লিক করে Next করুন এবং Image Archive Selection উইন্ডো থেকে আপনার তৈরী করা ইমেজ নির্বাচন করে Next করুন। এবার Verify Archive Before The Restoring উইন্ডো থেকে No. I do not want to verify নির্বাচিত রেখে Next করে Partition or Disk to Restore থেকে Disk নির্বাচন করে Next করুন। এবার যে ড্রাইভে উইন্ডোজ ইনষ্টল করতে চান সেই ড্রাইভ নির্বাচন করে Restore Partition Type উইন্ডো থেকে পার্টিশন (সি ড্রাইভ হলে প্রাইমারী, আর অনান্য ড্রাইভ হলে লজিক্যাল) নির্বাচন করে Next করুন এবং Restore Partition Size উইন্ডো থেকে ডিফল্ট রেখে Next করুন। এবার Next Selection এ No I do not image করে Proceed বাটনে ক্লিক করলে নির্দিষ্ট ড্রাইভে কয়েক মিনিটের মধ্যে সবকিছু হুবহু রিস্টোর হয়ে যাবে।
এবার নতুন উইন্ডোজটি চালু করে দেখুন সকল এ্যাপলিকেশন প্রোগ্রাম ইনষ্টল অবস্থায় আছে|
Download Link:
http://depositfiles.com/en/files/4432884
http://w13.easy-share.com/1699997119.html

অ্যাকটিভেট করুন উইন্ডোজ ৮ ও অফিস ২০১৩

By : Unknown
আপডেটঃ এই টুল এর মাধ্যমে উইন্ডোজ ৭, ভিস্তা, অফিস ২০১০ ও অ্যাক্টিভেট করতে পারবেন, পার্মানেন্ট ভাবে

উইন্ডোজ ৮ অ্যাক্টিভেশন

উইন্ডোজ ৮ অ্যাক্টিভেশনের জন্য প্রথমে আপনাকে এই লিঙ্ক থেকে KMS PICO 5.1 নামাতে হবে (ডাউনলোডের সময় টিক উঠিয়ে নিন)। মাত্র ১ এমবি

এরপর আপনাকে উইন্ডোজ স্মার্ট স্ক্রিণ ফিল্টার বন্ধ করতে হবে। ভয় নেই এটি একটি সেফ টুল। এই পোস্টেই তার ব্যাপক প্রমাণ পাবেন :-P  । স্মার্ট স্ক্রিণ ফিল্টার বন্ধ করার জন্য নিচের ছবির মত অ্যাকশন সেন্টার খুলুন।


 তারপর ক্লিক করুন Change Windows SmartScreen settings



 তারপর একদম শেষ অপশন মানে Don’t do anything সিলেক্ট করুন এবং ওকে করে বেরিয়ে আসুন।



এবার ডাউনলোড করা ফাইলটি এক্সট্রাক্ট করুন winrar, 7zip বা আপনার পছন্দের টুল দিয়ে।


 KMSpico Install ফোল্ডারটি খুলুন।

এখানে একটা কথা বলা দরকার তিনটা ফোল্ডারই কাজ করে। OEM ফোল্ডারটা হল প্রিইন্সটল অপশন। মান আগে থেকে উইন্ডোজ ইনস্টলার ISO ইমেজ এক্সট্র্যাক্ট করে তারপর OEM ফোল্ডার কপি করে পেস্ট করলে ইনস্টল হবে অ্যাক্টিভেটেড উইন্ডোজ। অবশ্যই ফোল্ডার পেস্ট করার পরে আপনাকে আবার ISO পূনরায় কম্প্রেস করে বুট্যাবল করতে হবে। সাধারণ ব্যবহারকারী দের জন্য একটু কষ্টকর তবে অ্যাডভান্স ইউজার রা উইন্ডোজ সেটাপ দেয়ার পর অ্যাক্টিভেশনের ঝামেলা থেকে বাঁচতে ইউজ করতে পারেন। আর KMSpico Only Service সফটওয়ারটা ইনস্টল করবেনা, শুধু সার্ভিস মানে KMS EMULATOR সার্ভিসটা ইনস্টল করবে। তবে এটাও সাধারণ ব্যবহারকারীদের কাছে ঝামেলার মনে হবে তাই আমি রিকমেন্ড করব প্রথম ফোল্ডারের টা ব্যবহার করতে।
এবার আপনি KMSpico_Install_v5.1 এ রাইট ক্লিক করে সিলেক্ট করুন Run as administrator
ইনস্টলেশন ফিনিশ করুন


তারপর টাস্কবারে এরকম একটি আইকন দেখতে পাবেন কিন্তু কোন উইন্ডো আসবে না।


তারপর একটি কন্ঠ শুনতে পাবেন “Automatic defense procedure initiated, Affirmative”। এরপর টাস্কবারের আইকনটা চলে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। দেখবেন ডেস্কটপের কোনায় Windows PRO/ ENTERPRISE (আপনি যে ভার্সন ব্যবহার করছেন) build 9200 লেখাটা চলে গেছে। কম্পিউটারের প্রপার্টিজ চেক করুন, আপনি এখন অ্যাক্টিভেটেড! কারো কারো লেখাটা থেকে যেতে পারে, সেক্ষেত্রে ৫ মিনিট অপেক্ষা করে কয়েকবার রিফ্রেশ করুন, তাতেও না গেলে রিস্টার্ট করুন।


এখন আপনি পার্সনালাইজেশন এর সব কিছু স্টার্ট স্ক্রিণ/ লকস্ক্রিণ ব্যাকগ্রাউন্ড, অ্যাকাউন্ট পিকচার সব চেঞ্জ করতে পারবেন।

অফিস ২০১৩ অ্যাক্টিভেশন

অফিস ২০১৩ অ্যাক্টিভেট করার জন্য প্রথমে টাস্কম্যানেজারে গিয়ে চেক করুন কোন অফিস অ্যাপ চলছে নাকি, চলতে থাকলে বন্ধ করুন। তারপর স্টার্ট স্ক্রিণে গিয়ে নিচের ছবির মত Run as administrator দিন।
অপেক্ষা করুন, এবারও শুনতে পাবেন “Automatic defense procedure initiated, Affirmative”। টাস্কবারের আইকন্টা যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।
টাডা! আপনার অফিস ২০১৩ এখন অ্যাক্টিভেটেড।
slmgr.vbs -ipk KMS KEY
slmgr -skms KMS SERVER IP
slmgr.vbs –ato
পরিবর্তন শুধু আমাদের ছোট্ট এমুলেটরটা KMS SERVER এর কাজ করছে। অ্যাক্টিভেশন ১৮০ দিন থাকবে। তবে চিন্তা করবেন না, আপনাকে বার বার অ্যাক্টিভেট করতে হবেনা, এর ডে কাউন্ট ১৭৯ দিনে নেমে আশা মাত্র টুল্টি নিজ থেকে পুনরায় অ্যাক্টিভেট করবে। তাই চিরকাল আপনার ডে কাউন্ট ১৮০ দিনই থাকবে। মানে এটি পার্মানেন্ট অ্যাক্টিভেটর!
আপডেটঃ অনেকে উইন্ডোজ ৭ এ অফিস ২০১৩ ইউজ করেন তারাও এটি ইউজ করতে পারবেন

কিভাবে ফেক আক্টিভেটর চিনবেন

এই অ্যাক্টিভেটর টা যে কার্যকর তার প্রমাণ পার্সনালাইজেশন মেনু আনলকড। তবে তারপরও আপনার মনে একটুকুও সন্দেহ থেকে থাকে তবে তা এখনি হার্পিক দিয়ে ধুয়ে দিচ্ছি  :mrgreen:
কমান্ড মেনু থেকে এক্সিকিউট করুনঃ sfc /scannow

 এবার দেখুন আর কোন সন্দেহ আছে কিনা!
এখন প্রশ্ন হল ফেক অ্যাক্টিভেটর কিভাবে চিনবেন? উপরের স্ক্যান নাউ কমান্ডরটি এক্সিকিউট করলে যদি অ্যাক্টিভেশন না থাকে তবে সেটা ফেক অ্যাক্টিভেটর। ফেক অ্যাক্টিভেটর গুলো আপনার সিস্টেমের কিছু .dll এডিট করে অ্যাক্টিভেটেড শো করে। এই কমান্ড সেই এডিটেড ফাইল গুলোকে রিস্টোর করে। তাই এটাও বুঝা গেল এই অ্যাক্টভেটর সিস্টেমের কোন ফাইলই চেঞ্জ করেনা! এটি সিস্টেম কে ‘ফুল’ করে কিন্তু ফেক অ্যাক্টিভেটর গুলো ‘ফুল’ করে আপনাকে 


www.creative.com.bd

এবার আপনি নিজে নিজেই তৈরি করুন একটি ব্লগ সাইট

By : Unknown
আজ আমরা শিখব কিভাবে Blog সাইট তৈরি করতে হয় তার নিয়ম,
তাহলে চলুন শুরু করা যাক কিভাবে Blog সাইট তৈরি করা যায় তার নিয়ম শিখি নিই।।
নিচের নিয়ম গুলো অনুসরণ করুন ভালো করে।
প্রথমে আপনি আপনার এড্রেসবারে http://www.blogspot.com টাইপ করুন। তারপর কি-বোর্ড থেকে Enter দিন তাহলে নিচের মত একটি পেইজ দেখতে পাবেন।
  আপনার যদি Gmail একাউন্ট থাকে ই-মেইল আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে Sign in করুন।
আর যদি Gmail একাউন্ট না থেকে থাকে তাহলে নিচের নিয়মে Sign Up এ ক্লিক করে একটি একাউন্ট তৈরী করে নিন।
  উপরের নিয়মে Sign up করা হয়ে গেলে কিংবা Sign in করা হলে আপনি নিচের মতো একটি পেইজ দেখতে পাবেন।
এবার পেইজের উপরের বাম দিকে New Blog এ ক্লিক করুন। তারপর যে পেইজটি আসবে সেখানে আপনার ব্লগের Title আপনার ব্লগের Address এবং যে কোন একটি টেমপ্ল্যাট সিলেক্ট করে Create Blog এ ক্লিক করুন।

ব্যাস হয়ে গেলো, আপনার একটি ব্লগ সাইট।ইনশাআল্লাহ আগামী পর্বে কিভাবে ব্লগে পোষ্ট করতে হয় এবং কিভাবে Gif ফাইল সংযুক্ত ইত্যাদি সম্পর্কে জানতে পারবেন।
একই নিয়মে তৈরি করা আমার ব্লগ সাইটটি দেখুন আইটি টিপস এন্ড ট্রিকস

জেনে নিন গ্রামীণ ফোনের নেট প্যাকেজ সম্পর্কে

By : Unknown
সবাই কেমন আছেন? আশা করি আপনারা সবাই অনেক ভাল আছেন। 
আমাদের দেশে এখন অনেক মানুষ ইন্টারনেট ব্যাবহার করে তারা সনাই হয়ত কম্পিউতার দিয়ে নয় কিন্তু সব মিলিয়ে অনেক মানুষ নেট ব্যাবহার করছে আর এই জন্য অপারেটর গুলো গ্রাহকদের জন্য বিভিন্ন প্যাকেজ তৈরি করছে এবং তা গ্রাহক কে অফার করছে তো আমাদের যদি প্যাকেজ সম্পর্কে জানা থাকে তবে নিজের ইচ্ছামত আমরা নেট কিনতে পারব ও ব্যাবহার করতে পারব। চলুন এখন বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় অপারেটর গ্রামীণ ফোনের প্যাকেজ সম্পর্কে জেনে নেই।  .


দেশের প্রধান এই মোবাইল অপারেটর কোম্পানি  ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য নানা পেকেজ এর অপশন রেখেছে  এসবের মধ্যে মাসিক, পাক্ষিক এবং ডেইলি পেকেজও আছে  মাত্র ৭ টাকায়  আপনি ব্যবহার করতে পারেন আন লিমিটেড ইন্টারনেট  এছাড়াও গ্রামীন ফোন এর সকল পেকেজ এর লিস্ট দেখতে পাবেন আপনার মোবাইল এ  এজন্য ডায়াল করুন  *১১১*৬*১#  এ কোড  ডায়াল করে আপনি P1, P2 ,P3, P4, P5, P6 এবং মিনিপ্যাক পেকেজগুলো  দেখতে পাবেন …
১। P1 (পে পার ইউজ) যতটুকু ব্যবহার ততটুকু বিল
২। P2 (আনলিমিটেড) মাসিক বিল ভ্যাট সহ  ৯০০ টাকার মত
৩। P3 (আনলিমিটেড নাইট ) রাত ১২টা  থেকে সকাল  ১০টা, মাসিক  বিল ২৫০টাকা
৪। P4 (ডেইলি প্যাক ) ১৫০ মেগাবাইট প্রতিদিন, ভ্যাট সহ বিল ৭০ টাকার মত
৫। P5 (৩জিবি ) ভ্যাট সহ মাসিক বিল ৭০০ টাকার মত
৬। P6 (১জিবি ) ভ্যাট সহ মাসিক বিল ৩৫০ টাকার মত
৭। মিনিপ্যাক  (১৫ এমবি) ১৫ দিনে ২৯ টাকা
৮। মিনিপ্যাক (৯৯ এমবি) ১৫ দিনে ৯৯ টাকা
৯। মিনিপ্যাক (৩ এমবি)  ৩ দিনে ৯ টাকা
১০।মিনিপ্যাক  (১ এমবি) ৩ দিনে ৩ টাকা


আপনি যে পেকেজ ব্যবহার করতে চান তার কোড  লিখে পাঠিয়ে দিন ৫০০০ নাম্বার এ । বেস হয়ে গেল আপনার ইন্টারনেট ব্যবহারের প্রথম কাজ, এরপর একটি কনফার্ম মেসেজ পেলেই ইন্টারনেট ব্যবহার শুরু করতে পারবেন  আপনি চাইলে আবার কেনসেল ও করতে পারবেন এজন্য স্টপ লিখে পাঠিয়ে দিন ৫০০০ নাম্বার এ  প্রতিদিন মিনিপেক ব্যবহার করতে চাইলে *১১১*৬*১# লিখে সেন্ড করুন, ১০ লিখে  রিপ্লাই দিন, আপনার ৩ দিনের জন্য  ৩ টাকা চার্জ কেটে নিবে, ১ এমবি ব্যবহার শেষ হয়ে গেলে আপনার প্রতি  .০১/১০কেবি হারে চার্জ কাটবে ।  ৩ দিন পর আপনার মোবাইল এ ৩ টাকা না থাকলে আপনার পেকেজ ডিএকটিভেট হয়ে যাবে, আর  বেলেন্স থাকলে সয়ংক্রিয়ভাবে পরবর্তী ৩ দিনের জন্য পেকেজটি আবার  একটিভ হয়ে যাবে  



- Copyright © Creative Computer | IT Tips & Triks - Date A Live - Powered by Blogger - Designed by Johanes Djogan -