আমরা অনেকেই ক্লাউড কম্পিউটিং, ক্লাউড
সার্ভার, ক্লাউড অ্যাপস ইত্যাদি শব্দ ব্যবহার করি কিন্তু এগুলো আসলে কি তা
অনেকেই জানি না। মানুষের মুখে মুখে শুনে শুনে নিজেরা বলি। আশা করি আজকের এই
পোস্টে সকলে ক্লাউড কম্পিউটিং সম্পর্কে ভাল ধারনা পাবেন।
ক্লাউড কম্পিউটিং হল কম্পিউটারের
রিসোর্স গুলো মানে হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর সার্ভিস গুলো নেটওয়ার্ক
এর মাধ্যমে প্রদান করা। একটু সহজ ভাবে বুঝিয়ে বলি। মনে করেন আপনি একটি
প্রতিষ্ঠান ১০০০ জন কর্মীর ডাটা(নাম, ছবি, ঠিকানা, বয়স ইত্যাদি) এবং তাদের
বেতনের হিসাব রাখতে চান। তাহলে আপনাকে সাধারন ভাবে কি করতে হবে ? একটি
কাস্টমাইজ সফটওয়্যার কিনতে হবে এবং সেই ডাটা গুলো রাখার জন্য হার্ডডিস্ক এ
জায়গাও রাখতে হবে। কিন্তু ক্লাউডে এত কিছু করার দরকার নাই শুধু আপনি
মাসিক ফি দিয়েই সফটওয়্যার এবং অতিরিক্ত হার্ডওয়্যার না কিনেই অনলাইনে
কাজ গুলো করতে পারবেন মুলত এটাই হল ক্লাউড কম্পিউটিং। ভাবতেই অবাক লাগে কোন
সফটওয়্যার বা হার্ডওয়্যার এর প্রয়োজন নেই এই ক্লাউড কম্পিউটিং এ !!!
যেকোনো ধরনের ব্যবসায় জন্য ক্লাউড কম্পিউটিং অনেক বেশি উপকারি। কারন ব্যবসায় সংক্রান্ত কনল ধরনের সফটওয়্যার এখন মেঘে (ক্লাউড) এ পাওয়া যায়। যেমনঃ CRM, HR, Accounting & Custom Built Apps ইত্যাদি। কিছু দিনের মধ্যে হয়ত এমন হবে এমন কোন সফটওয়্যার থাকবে না যেটা ক্লাউডে ব্যবহার করা যাবে না।
Outright হল একটি ফাইনান্স অ্যাপ্লিকেশন। এটা ছোট খাট বিজনেসের আকাউন্ট এর কাজে ব্যবহার করা হয়। বিজনেসের প্রফিট, লস, আয়, ব্যয় ইত্যাদির খরচ খুব সহজে করা যায়।
Google Apps
গুগল অ্যাপস অনেক সুবিধা দেয় যেমনঃ ডকুমেন্ট তরি করা, স্প্রেডশিড তৈরি, স্লাইড শো তৈরি, ক্যালেন্ডার মেইনটেন্স, পার্সোনাল ইমেইল ইত্যাদি তৈরি করার সুবিধা দেয়।
Evernote
প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন নোট সমূহ খুব সহজে কন্ট্রোল করা, ব্যবহার করা, যেকোনো স্থানে যেই নোট সমূহ ব্যবহার করাতে Evernote খুবই উপকারি।
Quickbooks
Quickbooks এক ধরনের একাউন্ট সার্ভিস। এর মাধ্যমে ক্যাশ নিয়ন্ত্রন করা, বাজেট তৈরি, বিজনেস রিপোর্ট তৈরি ইত্যাদির কাজে খুব ভাল সাপোর্ট দেয়।
Moo
এর মাধ্যমে খুব সহজে সুন্দর সুন্দর বিজনেস কার্ড, পোস্ট কার্ড, মিনি কার্ড ইত্যাদি তৈরি করা যায়। এমনকি এরা প্রিন্টিং এর সার্ভিসও দিয়ে থাকে।
Toggl
এটি একটি টাইম ট্র্যাকিং অ্যাপলিকেশন। মূলত প্রোজেক্ট কন্ট্রোল এবং টাইমিং এর জন্য এটা ব্যবহার করা হয়। প্রোজেক্ট তৈরিতে কত সময় লাগলো, কোন খাতে কতটুকু সময় সকল হিসাব এর মাধ্যমে জানা যায়।
Box.net
Box.net খুবই চমৎকার একটি সার্ভিস। এটা যেকোনো ধরনের ডিভাইস দিয়ে কন্ট্রোল করা যায়। এতে রাখা যেকোনো ফরমেটের ফাইল যেকোনো স্থানে বসে দেখা যায় বা ব্যবহার করা যায়।
Skype
Skype কম্পিউটার কে ফোনে রূপান্তর করে ফেলেছে। বিশ্বের যেকোনো স্থান থেকে কম্পিউটার এর মাধ্যমে কথা বলা, ভিডিও চ্যাট করা ইত্যাদির সুবিধা দিচ্ছে।
Mozy
অনালাইনে ব্যাকআপ রাখার জন্য খুবই জনপ্রিয় অ্যাপ। টাকার বিনিময়ে আপনি আপনার ফাইলে ব্যাকআপ রাখতে পারবেন এতে।
DropBox
অনেক দরকারি একটি সার্ভিস। ভার্চুয়াল হার্ডডিস্কও বলতে পারেন। মানে আপনি যেকোনো ধরনের ফাইল রাখতে পারবেন এবং সেটা যেকোনো পিসি থেকে কন্ট্রোল করতে পারবেন খুব সহজে। অন্যের সাথে শেয়ার করতে পারবেন।
আসলে ক্লাউড কম্পিউটিং টা অনেক বড় একটা ব্যাপার। প্রায় ৫/৬ দিন বসে বসে অনেক পড়াশুনা করছি এটা নিয়ে। এত বড় এবং ব্যাপক একটা ব্যাপার এটা আমি নিজেও জানতাম না। আমি ৫/৬ দিনে যা পাইছি তার একটি অংশ আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম। সময়ের অভাবে এর চেয়ে বেশি তথ্য দেওয়া সম্ভব হয় নি। তবুও সংক্ষেপে এমন ভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি যাতে ক্লাউড কম্পিউটিং বিষয় টা আপনাদের কাছে স্পষ্ট থাকে।
ক্লাউড কম্পিউটিং হল কম্পিউটারের
রিসোর্স গুলো মানে হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর সার্ভিস গুলো নেটওয়ার্ক
এর মাধ্যমে প্রদান করা। একটু সহজ ভাবে বুঝিয়ে বলি। মনে করেন আপনি একটি
প্রতিষ্ঠান ১০০০ জন কর্মীর ডাটা(নাম, ছবি, ঠিকানা, বয়স ইত্যাদি) এবং তাদের
বেতনের হিসাব রাখতে চান। তাহলে আপনাকে সাধারন ভাবে কি করতে হবে ? একটি
কাস্টমাইজ সফটওয়্যার কিনতে হবে এবং সেই ডাটা গুলো রাখার জন্য হার্ডডিস্ক এ
জায়গাও রাখতে হবে। কিন্তু ক্লাউডে এত কিছু করার দরকার নাই শুধু আপনি
মাসিক ফি দিয়েই সফটওয়্যার এবং অতিরিক্ত হার্ডওয়্যার না কিনেই অনলাইনে
কাজ গুলো করতে পারবেন মুলত এটাই হল ক্লাউড কম্পিউটিং। ভাবতেই অবাক লাগে কোন
সফটওয়্যার বা হার্ডওয়্যার এর প্রয়োজন নেই এই ক্লাউড কম্পিউটিং এ !!!যেকোনো ধরনের ব্যবসায় জন্য ক্লাউড কম্পিউটিং অনেক বেশি উপকারি। কারন ব্যবসায় সংক্রান্ত কনল ধরনের সফটওয়্যার এখন মেঘে (ক্লাউড) এ পাওয়া যায়। যেমনঃ CRM, HR, Accounting & Custom Built Apps ইত্যাদি। কিছু দিনের মধ্যে হয়ত এমন হবে এমন কোন সফটওয়্যার থাকবে না যেটা ক্লাউডে ব্যবহার করা যাবে না।
ক্লাউড কম্পিউটিং মূলত ৪ ধরনের হয়ে থাকে। যেমনঃ
- Public cloud
- Hybrid cloud
- Private cloud
- Community cloud
- Public cloud: Public cloud হল এমন এক ধরনের ক্লাউড সার্ভিস যা সাধারন জনগন ব্যবহার করতে পারবে।
- Private cloud: Private cloud হল যেটা শুধু কোন নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের জনগন ব্যবহার করতে পারবে।
- Hybrid cloud: এটা পাবলিক এবং প্রাইভেট দুইটার সংমিশ্রণে তৈরি।
- Community cloud: এটা একাধিক প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করতে পারবে।
ক্লাউড কম্পিউটিং বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। যেমনঃ
- Infrastructure as a service (IaaS)
- Platform as a service (PaaS)
- Software as a service (SaaS)
- Storage as a service (STaaS)
- Security as a service (SECaaS)
- Data as a service (DaaS)
- Test environment as a service (TEaaS)
- Desktop as a service (DaaS)
- API as a service (APIaaS)
ক্লাউড কম্পিউটিং এর কিছু সুবিধাঃ
- কম খরচঃ যেহেতু এতে আলাদা কোন সফটওয়্যার কেনার প্রয়োজন হয় না বা কোন হার্ডওয়্যার এর প্রয়োজন হয় না। তাই স্বাভাবিক ভাবে খরচ কম হবেই।
- সহজে ব্যবহারঃ ক্লাউড কম্পিউটিং এর কাজ গুলো যেকোনো স্থানে বসেই মোবাইলের মাধ্যমে কন্ট্রোল করা যায় তাই এটা সহজে ব্যবহার যোগ্য।
- অটো সফটওয়্যার আপডেটঃ ক্লাউড কম্পিউটিং এর সফটওয়্যার গুলো আপনার আপডেট করার প্রয়োজন নেই। এগুলো অটো ভাবে আপডেট হয়ে থাকে। তাই আলাদা ভাবে এটা মেইনটেন্স এর খরচ লাগে না।
- যতটুকু ব্যবহার ততটুকু খরচঃ ক্লাউড কম্পিউটিং এ আপনি যত টুকু ব্যবহার করবেন শুধু মাত্র ততটুকুর জন্য পয়সা আপনাকে গুনতে হবে। যেটা কিনা ডেস্কটপ কম্পিউটিং এ সম্ভব না।
- ডকুমেন্ট কন্ট্রোলঃ মনে করুন কোন একটা অফিসে যদি ক্লাউড কম্পিউটিং না ব্যবহার করে তবে সেই অফিসের ডকুমেন্ট সমূহ কন্ট্রোল করতে বা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নেবার জন্য আলাদা লোকের প্রয়োজন হবে কিন্তু ক্লাউড কম্পিউটিং এ সেই ধরনের কোন সমস্যা নেই। অতিরিক্ত লোক ছারাই সকল ডকুমেন্ট কন্ট্রোল করা যায়।
- সম্পূর্ণ সিকিউরঃ ক্লাউড কম্পিউটিং সম্পূর্ণ সিকিউর কারন এতে আপনার ডাটা হারানোর বা নষ্ট হবার কোন চান্স থাকে না। ল্যাপটপ বা কম্পিউটার হারিয়ে যায়। হার্ডডিস্ক নষ্ট হয়ে যায় ইত্যাদি সমস্যা থেকে ক্লাউড কম্পিউটিং সম্পূর্ণ মুক্ত।
ক্লাউড কম্পিউটিং এর কয়েকটি জনপ্রিয় অ্যাপ্লিকেশন এবং সার্ভিস সম্পর্কে আলোচনা করা হলঃ
OutrightOutright হল একটি ফাইনান্স অ্যাপ্লিকেশন। এটা ছোট খাট বিজনেসের আকাউন্ট এর কাজে ব্যবহার করা হয়। বিজনেসের প্রফিট, লস, আয়, ব্যয় ইত্যাদির খরচ খুব সহজে করা যায়।
Google Apps
গুগল অ্যাপস অনেক সুবিধা দেয় যেমনঃ ডকুমেন্ট তরি করা, স্প্রেডশিড তৈরি, স্লাইড শো তৈরি, ক্যালেন্ডার মেইনটেন্স, পার্সোনাল ইমেইল ইত্যাদি তৈরি করার সুবিধা দেয়।
Evernote
প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন নোট সমূহ খুব সহজে কন্ট্রোল করা, ব্যবহার করা, যেকোনো স্থানে যেই নোট সমূহ ব্যবহার করাতে Evernote খুবই উপকারি।
Quickbooks
Quickbooks এক ধরনের একাউন্ট সার্ভিস। এর মাধ্যমে ক্যাশ নিয়ন্ত্রন করা, বাজেট তৈরি, বিজনেস রিপোর্ট তৈরি ইত্যাদির কাজে খুব ভাল সাপোর্ট দেয়।
Moo
এর মাধ্যমে খুব সহজে সুন্দর সুন্দর বিজনেস কার্ড, পোস্ট কার্ড, মিনি কার্ড ইত্যাদি তৈরি করা যায়। এমনকি এরা প্রিন্টিং এর সার্ভিসও দিয়ে থাকে।
Toggl
এটি একটি টাইম ট্র্যাকিং অ্যাপলিকেশন। মূলত প্রোজেক্ট কন্ট্রোল এবং টাইমিং এর জন্য এটা ব্যবহার করা হয়। প্রোজেক্ট তৈরিতে কত সময় লাগলো, কোন খাতে কতটুকু সময় সকল হিসাব এর মাধ্যমে জানা যায়।
Box.net
Box.net খুবই চমৎকার একটি সার্ভিস। এটা যেকোনো ধরনের ডিভাইস দিয়ে কন্ট্রোল করা যায়। এতে রাখা যেকোনো ফরমেটের ফাইল যেকোনো স্থানে বসে দেখা যায় বা ব্যবহার করা যায়।
Skype
Skype কম্পিউটার কে ফোনে রূপান্তর করে ফেলেছে। বিশ্বের যেকোনো স্থান থেকে কম্পিউটার এর মাধ্যমে কথা বলা, ভিডিও চ্যাট করা ইত্যাদির সুবিধা দিচ্ছে।
Mozy
অনালাইনে ব্যাকআপ রাখার জন্য খুবই জনপ্রিয় অ্যাপ। টাকার বিনিময়ে আপনি আপনার ফাইলে ব্যাকআপ রাখতে পারবেন এতে।
DropBox
অনেক দরকারি একটি সার্ভিস। ভার্চুয়াল হার্ডডিস্কও বলতে পারেন। মানে আপনি যেকোনো ধরনের ফাইল রাখতে পারবেন এবং সেটা যেকোনো পিসি থেকে কন্ট্রোল করতে পারবেন খুব সহজে। অন্যের সাথে শেয়ার করতে পারবেন।
আসলে ক্লাউড কম্পিউটিং টা অনেক বড় একটা ব্যাপার। প্রায় ৫/৬ দিন বসে বসে অনেক পড়াশুনা করছি এটা নিয়ে। এত বড় এবং ব্যাপক একটা ব্যাপার এটা আমি নিজেও জানতাম না। আমি ৫/৬ দিনে যা পাইছি তার একটি অংশ আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম। সময়ের অভাবে এর চেয়ে বেশি তথ্য দেওয়া সম্ভব হয় নি। তবুও সংক্ষেপে এমন ভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি যাতে ক্লাউড কম্পিউটিং বিষয় টা আপনাদের কাছে স্পষ্ট থাকে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন